যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী ঝুঁকি, আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের প্রভাব কমে আসা এবং এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর শক্তিশালী চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোয় স্বর্ণের দাম আরো বাড়বে বলে মনে করছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ব্যাংকিং আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান ইউবিএস। এমন প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের জুন অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল-জুন) শেষে মূল্যবান ধাতুটির দাম আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ৭০০ ডলারে পৌঁছার পূর্বাভাস দিয়েছে ব্যাংকটি। খবর মাইনিং উইকলি।
ব্যাংকটি আরো জানায়, এর আগে ২০২৬ সালের মার্চ অর্থাৎ প্রথম প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ) শেষে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম পৌঁছতে পারে ৩ হাজার ৬০০ ডলারে।
ইউবিএস জানিয়েছে, স্থায়ী মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নিম্নমুখী ধারা, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদহার কমানো এবং ডলারের নিম্নমুখী বিনিময় হার স্বর্ণের বাজারদরকে ঊর্ধ্বমুখী করে তুলবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর ইটিএফে স্বর্ণের চাহিদা প্রায় ৬০০ টনে পৌঁছবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা আগে দেয়া পূর্বাভাস ৪৫০ টনের তুলনায় অনেক বেশি।
ইউবিএস আরো জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ ক্রয়ের ধারা শক্তিশালী থাকলেও তা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে। এর পরও ২০২৫ সালে বৈশ্বিক স্বর্ণের চাহিদা ৩ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৭৬০ টনে পৌঁছতে পারে, যা ২০১১ সালের পর সর্বোচ্চ।